১২ জুন, ২০২৬ তারিখে কী কার্যকর হবে ? ইউরোপীয় অভিবাসন ও আশ্রয় চুক্তি নামে পরিচিত আশ্রয় ও অভিবাসন সংক্রান্ত নতুন ইউরোপীয় নিয়মাবলি কার্যকর হচ্ছে। এই নিয়মগুলো ইউরোপীয় সাধারণ আশ্রয় ব্যবস্থার সংস্কার করে এবং আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আবেদন ও অভ্যর্থনা ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন প্রক্রিয়া ও নতুন মানদণ্ড চালু করে। এর প্রধান নতুন পরিবর্তন কী? সীমান্ত প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে, যা কিছু আশ্রয়প্রার্থীর জন্য প্রযোজ্য। এর মাধ্যমে আশ্রয়ের আবেদন দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা করা হবে এবং সীমান্ত এলাকায় অবস্থানকালে বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এছাড়া আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য পূর্বের তুলনায় কিছু আইনি সুরক্ষা ও গ্যারান্টি কম থাকবে। কাদেরকে সীমান্ত প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে? আইন দ্বারা প্রদত্ত ছাড় ব্যতীত, ইউরোপীয় ইউনিয়নে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য গড় স্বীকৃতির হার ২০% বা তার কম এমন দেশগুলোর আবেদনকারীরা এই পদ্ধতির আওতায় আসবেন। যারা পরিচয় এড়ানোর জন্য মিথ্যা তথ্য বা জাল নথি প্রদান করে, সেইসাথে যাদের জনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাদের ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে। কার্যপ্রণালী প্রবিধানের (ধারা ৪২, অনুচ্ছেদ ১, উপধারা ‘ই’, ২০২৪/১৩৪৮ অনুসারে) অধীনে নিরাপদ বলে বিবেচিত কোনো তৃতীয় দেশের আবেদনকারীরাও একটি দ্রুততর পদ্ধতির আওতায় আসবেন। পদ্ধতিটি সম্পন্ন